তবে এ প্রতিষ্ঠান থেকে গত বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বাংলা বিষয়ে অকৃতকার্য এক শিক্ষার্থী এ বছর স্থানীয় সান্দিকোনা উচ্চমাধ্যমিক স্কুল পরীক্ষা কেন্দ্রে অনিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষা দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৪ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় গড়াডোবা আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়। পরে এটি কলেজ হিসেবে উন্নীত হয়। ২০১৮ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কলেজ শাখার শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আসছেন।
২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাত্র ৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এতে পাস করেন মাত্র চারজন। অকৃতকার্যদের মধ্যে এ বছর নেছার আহমেদ নামে একজন অনিয়মিত শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। তবে নিয়মিত কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় কেউ অংশ নিতে পারেননি।
এ নিয়ে কথা হলে গড়াডোবা আব্দুল হামিদ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান এসব তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে তারা অন্য জায়গায় চলে যাওয়ার ফলে কেউ পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এ ছাড়া ভবন সংকট ও অবকাঠামোগত কারণেও কোনো শিক্ষার্থী এখানে ভর্তি হতে চায় না।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল আলমের বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার বলেন, এমনটা আমার জানা ছিল না। এ ধরনের ঘটনা দেশের কোথাও ঘটেছে বলে মনে হয় না। এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুনঃ খাঁটি বাঙালি মূল্যবোধ