সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলা সদরের মার্কাস মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি বের হয়ে স্টেডিয়াম মাঠে এসে শেষ হয়। মিছিলে ছাত্র-ছাত্রী ছাড়াও একাত্মা প্রকাশ করে অংশ নেন আমজনতাসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিল শেষে স্টেডিয়াম মাঠে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া, ওবায়দুল হক, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম, সদস্য সচিব সোলায়মান হক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আজাদ আয়নল, সদস্য সচিব মো. ইয়াসিন মিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক গোলাম রসুল, সদস্য সচিব মো. রবিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইসতিয়াক হাসান সৌরভ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী কলি আক্তার ও শিক্ষার্থী মো. আরিফ মিয়া এবং রাকিব হোসেন প্রমুখ।
বক্তরা ছাত্র হত্যাকারী খুনি হাসিনার দালালদের হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেন, কোটা আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন দ্রুত সময়ের মধ্যে এই হত্যার বিচার করতে হবে।
এসময় অন্তবর্তীকালীন সরকারের নিকট দাবি জানানো হয় দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ও আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।
আরও পড়ুনঃ কেন্দুয়ায় গভীর রাতে বসতবাড়ি ও দোকানে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট