আহতদের কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর মারাত্নক আহত কাইয়ূম (৬৫),হুমায়ূন কবির (৩৯), শহিদ (৫২),হাবিবুল্লাহ (৪৫), মাসুদ রানা (২৪),মামুন (২৫), কামরুল (৩৫),মিনারুল (৩২), হিরন (৩৫), ইব্রাহীম (৫৫) ও আজিবুল (৩৫) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
নিহত কাইয়ূম মিয়া কেন্দুয়া উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের পরশ আলীর ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (২৫মে) সন্ধায় বিষ্ণপুর গ্রামে। পুলিশ বেশ কয়েক জনকে আটক করেছেন। এখনও গ্রামটিতে থমথমে আবস্থা বিরাজ করছে।
পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার সালিশ দরবার করে মিট মিমাংশা করেন। এরই মধ্যে গত শনিবার (২৫মে) বিকালে গ্রামের ছেলেরা একটি পতিত জমিতে ফুটবল খেলছিল। এ সময় লতিফ মেম্বর গ্রুপের একজনের পাশের জমিতে বল যাওয়াকে কেন্দ্র করে লতিফ মেম্বার পক্ষ ও ঝান্টু মিয়ার পক্ষের লোকদের মাঝে কথা কাটাকাটি থেকে ঝগড়ায় শুরু হয়।
পরে সন্ধায় উভয় পক্ষের লোকেরা দেশিয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে মারাত্নক আহত ঝন্টু মিয়ার পক্ষের কাইয়ূম মিয়া নিহত হন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) হোসাইন মুহাম্মদ ফারাবী,কেন্দুয়া থানার ওসি এনামুল হক পিপিএম,ইউএনও ইমদাদুল হক তালুকদার, ইউপি চেয়ারম্যন মাহবুব আলম বাবুলসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সংঘর্ষ থামাতে ছুটে যান।
এ দিকে কাইয়ূমের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা,ভাংচুর ও লুটপাট শুরু হয়।এলাকার শান্তি রক্ষায় একজন ম্যাজিষ্ট্রেট ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়ছে বলে ইউএনও ইমদাদুল হক তালুকদার জানান।
পুলিশ বলেন, এখনও এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল)হোসাইন মুহাম্মদ ফারাবী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। আজ নেত্রকোনায় আমাদের মিটিং ছিল এ ঘটনার জন্য আমাদের যাওয়ার প্রোগ্রাম বাতিল করা হয়েছে।
ওসি এনামুল হক পিপিএম বলেন,পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে,বেশ ক’জনকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ নেত্রকোনায় ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়ধীন।